• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
Headline :
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা

Reporter Name / ৪৩১ Time View
Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি:
ঢাকার দোহার উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে| অভিযোগের তীর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের অফিস সহকারী সাজেদা আক্তার সাজনের দিকে| সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার বরাদ্দকৃত ঋণের অর্থ ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নানা অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে|
অনুসন্ধানে জানা যায়, অফিস সহকারী সাজেদা আক্তার সাজনের যোগসাজশে প্রকৃত উপকারভোগীদের পরিবর্তে ভুয়া বা অযোগ্য ব্যক্তিদের নামে ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে| এমনকি অফিসের নথিপত্রে ঋণগ্রহীতা হিসেবে নাম থাকলেও বাস্তবে টাকা পাননি—এমন অভিযোগও করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী|
২০২৪-২৫ অর্থবছরের আবেদনকারীদের তালিকায় চুরান্ত অনুমোদনে দেখা যায় অনেকেই জানেন না তাদের নামে ঋণ নেয়া হয়েছে|
তথ্য অনুযায়ী তালিকায় থাকা শারমিন আক্তার, কুলসুম, আমেনা বেগম ও নাসিমা আক্তার নামে এদের কেউই লোন পায়নি| তারা জানান, অন্যান্য সুবিধার কথা বলে তাদের ভোটার আইডি নেয়া হয়েছে| খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, তালিকায় এমন আরও অনেকেই পায়নি কোনো ঋণ|
তদন্তে আরও জানা যায়, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কিংবা নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দকৃত এই ঋণ সুবিধা নিয়েছেন অনেক বিত্তশালী ব্যক্তিও| ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তালিকায় পাওয়া যায় সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ইসরাত জাহান বনানীর নাম| সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঋণ নেওয়ার তথ্য থাকলেও অনেকের কোনো ক্ষুদ্র ব্যবসা বা উদ্যোক্তা কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি|
এদিকে, অন্যের নামে ঋণ গ্রহণের বিষয়টি ¯^ীকার করেছেন অভিযুক্ত অফিস সহকারী সাজেদা আক্তার সাজন| তিনি বলেন, আমি কিছু ঋণ নিয়েছি আর কিছু দিয়েছি| এমন তো অনেকেই করে| তবে সরকারের এই বরাদ্দের কত টাকা নিজের পকেটে নিয়েছেন তার হিসেব এখনো পাওয়া যায়নি|
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন নিয়েও| সচেতন মহলের দাবি, যথাযথ যাচাই-বাছাই ও তদন্ত ছাড়া কীভাবে এসব ঋণ বিতরণ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন|
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাবরিনা লাকীর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমি এবিষয়ে কিছুই জানিনা| তবে আবেদনকারীদের যাচাই করেই ঋণ দেয়া হয়েছে| এরপরও যদি অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায় জরিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে|
নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিকভাবে ¯^াবল¤^ী করে তোলার লক্ষ্যে সরকারের দেওয়া ঋণের অর্থ যদি অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বণ্টন করা হয়, তাহলে তা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা|
অন্যদিকে, যারা ঋণ গ্রহণ না করেও ঋণগ্রহীতা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তাদের দায়মুক্তি এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা|


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories