• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
Headline :
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ফরম – বাড়তি টাকার চাপ

Reporter Name / ২ Time View
Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ফরম - বাড়তি টাকার চাপ
অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ফরম - বাড়তি টাকার চাপ

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দি হলি চাইল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে যারা আগে পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি, তাদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা বলে বড় অঙ্কের টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।

জানা যায়, এ বছরের এসএসসি ফরম পূরণের নির্ধারিত সময় ছিল ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। দেরিতে ফিসহ শেষ সময় ছিল ১৭ জানুয়ারি। পরে সরকার আবার ২৯ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় বাড়ায়। কিন্তু এই সময় পার হওয়ার পরও ৬ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বলা হচ্ছে, ফরম পূরণের জন্য ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক জানান, তাদের সন্তানরা অন্য স্কুলে টেস্ট পরীক্ষায় পাস না করায় এখানে ভর্তি করা হয়। ভর্তি ও বেতনের জন্য মোট প্রায় ৩২ হাজার টাকা নেওয়ার পর এখন আবার ফরম পূরণের জন্য ১৫ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে।

একজন অভিভাবক বলেন, এত কম সময়ের মধ্যে আবার এত টাকা দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। আরেকজন বলেন, অন্যের বাসায় কাজ করে সংসার চালান, তাই ১৫ হাজার টাকা দেওয়া তার জন্য খুব কঠিন।

এক শিক্ষার্থীর মা জানান, তার কাছে ১৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। তিনি ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন, কিন্তু এখনো আরও টাকা চাওয়া হচ্ছে, যা দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়।

প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল এস এম আশরাফুল ইসলাম অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্যই এটি করা হচ্ছে। বোর্ডে যাওয়া ও অন্যান্য খরচের কারণেই এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন না থাকায় অন্য একটি স্কুলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমীর হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার অনুমোদিত ২৬টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এই স্কুলের নাম নেই। তারা কীভাবে ফরম পূরণ করছে, তা জানা নেই। তিনি জানান, বোর্ড নির্ধারিত ফি ও কেন্দ্র ফি মিলিয়ে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকার বেশি নেওয়ার নিয়ম নেই। এর বেশি টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories