• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
Headline :
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

লক্ষিখালীতে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

Reporter Name / ২ Time View
Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
লক্ষিখালীতে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
লক্ষিখালীতে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের ছোট লক্ষিখালী গ্রামে কোমলমতি শিশুদের সনাতন ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ বিদ্যাপীঠ ও শ্রীশ্রী হরিলীলামৃত স্কুল , শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২ টায়ার দিকে শুভ উদ্বোধন করা হয়।

এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীধাম লক্ষিখালীর শ্রী ননী গোপাল সাধু ঠাকুর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনশ্রী নিতীশ কুমার বিশ্বাস,  (অধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি এস এম কলেজ মোড়লগঞ্জ) আরো উপস্থিত ছিলেন, বিপ্লব কান্তি, হাওলাদার ,বাগেরহাট। এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ বিদ্যাপীঠের কোমলমতি শিশুরা ও তাদের অভিভাবক বৃন্দ। 

এ অনুষ্ঠান টি পরিচালনা করেন: শ্রী দেব দুলাল ঢালী ও  বিদ্যাপীঠের শিক্ষিকা: (শ্রীমতি অঞ্জলী রানী)

এ অনুষ্ঠানে প্রথমে প্রধান অতিথিদের মালা বদল ও ঢোল ঢংকা বাজিয়ে প্রধান অতিথীদের বরণ করে নেওয়া হয় পরবর্তীতে ধর্মীয় আলোচনা ও ধর্মীয় গান অনুষ্ঠিত হয়। এবং মতুয়া রতন মন্ডলের পাঠানো ছোটদের হরিলীলামৃত বই টি বিপ্লব কান্তি হাওলাদারে নেতৃত্বে শ্রী শ্রী ননীগোপাল সাধু ঠাকুরের হাতে বইগুলো তুলে দেন এবং মনি গোপাল সাধু ঠাকুর নিজে কোমলমতি শিশুদের হাতে বইটি তুলে দেন। 

উদ্যোক্তারা বলেন, মুক্তিবারিধি গুরুচাঁদ ঠাকুরের শিক্ষা আন্দোলনকে ধারণ করেই এই পথচলা। তাদের বিশ্বাস, দাসত্ব, ভীরুতা, হীনতা, দারিদ্রতা ও রুগ্নতা দূর করতে হলে নতুন প্রজন্মকে শুধু সার্টিফিকেটধারী নয়, বরং তথ্যপ্রযুক্তি সম্বলিত আদর্শিক ও চৈতন্যজাগ্রত জ্ঞানে শিক্ষিত করে তুলতে হবে।

বর্তমানে বিদ্যাপীঠে স্থানীয় ৩৫/৪০ জন শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে ধর্মীয় বই উপহার দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম।

অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যাপীঠের শিশু অতিথিবৃন্দ ও অভিভাবকদের দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories