• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
Headline :
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

ভোজশালা কমপ্লেক্স নিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়

Reporter Name / ১ Time View
Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
ভোজশালা কমপ্লেক্স নিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়
ভোজশালা কমপ্লেক্স নিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়

ভারতের মধ্যপ্রদেশে ভোজশালা কমপ্লেক্সের বিতর্কিত স্থানকে সরস্বতীর মন্দির হিসেবে ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। শুক্রবার হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দেন আদালত।

বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির বেঞ্চ জানায়, ভোজশালায় একসময় সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল—এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, এই স্থানে হিন্দুদের উপাসনার ধারাবাহিকতা কখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী এটি ভোজশালা নামে পরিচিত ছিল, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সময়কার একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র।

আদালত আরও বলেছে, মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা জায়গায় মসজিদ নির্মাণের বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করা যেতে পারে।

হিন্দু পক্ষ দাবি করে যে ভোজশালা রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির। অন্যদিকে মুসলিম পক্ষের দাবি, এটি বহু শতাব্দী ধরে কামাল মওলা মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

২০০৩ সালের এএসআই চুক্তি অনুযায়ী, হিন্দু ও মুসলিম উভয় পক্ষই যথাক্রমে মঙ্গলবার ও শুক্রবার সেখানে প্রার্থনা করে আসছে।

পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ একক উপাসনার অধিকার চেয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায়। ২০২৪ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট এএসআইকে কমপ্লেক্সটির বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার নির্দেশ দেয়।

এএসআই ২২ মার্চ থেকে ৯৮ দিনব্যাপী সমীক্ষা চালিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে বলা হয়—বর্তমান কাঠামোর আগে সেখানে একটি বড় স্থাপনা ছিল এবং মসজিদে প্রাচীন মন্দিরের অংশ পুনর্ব্যবহার করা হয়েছে।

হিন্দু পক্ষ দাবি করে, সমীক্ষায় পাওয়া মুদ্রা, ভাস্কর্য ও শিলালিপি প্রমাণ করে এটি মূলত একটি মন্দির ছিল।

তবে মুসলিম পক্ষ দাবি করে, এএসআই-এর প্রতিবেদন পক্ষপাতদুষ্ট এবং তাদের দাবির পক্ষে তৈরি করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories